চট্টগ্রাম: দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি চট্টগ্রাম বন্দর। দেশের আমদানি-রপ্তানির সিংহভাগ এই বন্দর ঘিরেই পরিচালিত হয়। কিন্তু বিগত কয়েক দশকে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অদক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে এই বন্দর তার পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারেনি।
সম্প্রতি একটি মহল থেকে প্রস্তাব এসেছে—চট্টগ্রাম বন্দরের ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব বাড়ালে নিরাপত্তা ও আয় দুটোই বৃদ্ধি পাবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উন্নত প্রযুক্তি, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হলে বন্দর হবে আরও লাভজনক ও সময়োপযোগী।
অন্যদিকে, যারা দীর্ঘদিন ধরে বন্দরকে লুটেপুটে খাচ্ছে, অবৈধ সিন্ডিকেট চালাচ্ছে—তাদের মধ্যে এখন শুরু হয়েছে অন্তর জ্বালা। কারণ, বিদেশি সংস্থাগুলোর সরাসরি নজরদারি ও আধুনিক ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতির পথ বন্ধ হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছে এই চক্র।
বন্দর সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রভাবশালীরা বন্দর ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা চান না। তাদের চাওয়া—আগের মতোই যেন লুটপাট ও দুর্নীতির সুযোগ থাকে।
সাধারণ জনগণ ও সৎ ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, চট্টগ্রাম বন্দরের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা যেমন জরুরি, তেমনি দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করাও সময়ের দাবি। চট্টগ্রাম বন্দর শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার অন্যতম ভিত্তি। তাই এটির ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে সুপরিকল্পিত, স্বচ্ছ ও যুগোপযোগী ব্যবস্থাপনার ওপর—সেটি দেশীয় হোক বা আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে।
Editor: Abdullah Al-Mamun, Office Address: Suit No. 501, 5th Floor, Motaleb Mansion, 2 RK Mission Road, Dhaka-1203, Bangladesh, Email: news.bbcnewsbd@gmail.com, Phone: 01796-777753