“চট্টগ্রামে এলএনজি সংকটে গ্যাস বিপর্যয়: নাগরিক দুর্ভোগ, শিল্পে স্থবিরতা, সরকারের আগাম প্রস্তুতির ঘাটতি প্রশ্নবিদ্ধ” চট্টগ্রাম নগরজুড়ে এক নজিরবিহীন গ্যাস সংকট শুরু হয়েছে। মৌসুমী বায়ুর সক্রিয়তায় সাগরে সৃষ্ট বিশাল ঢেউ ও
এক আত্মার সঙ্গী, এক কলমযোদ্ধা, এক অপূর্ণ অপেক্ষার নাম—মঈনউদ্দীন মহসিন বন্ধু মহসিন, তুই শুধু চলে যাসনি—তুই রেখে গেছিস এক সাহসী দর্শন, এক মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি, আর কিছু অসমাপ্ত স্বপ্ন। আমি কথা
একজন মানুষ, যিনি শুধু একজন আবৃত্তিকার নন; শুধু একজন উপস্থাপক নন; শুধু একজন লেখক, সাংবাদিক, নাট্যকার কিংবা সংগীতশিল্পীও নন— তিনি যেন একটি চলমান শিল্পজগত, একটি বহুমাত্রিক প্রতিভার নাম। তিনি হলেন
আজকে বক্তা ও বক্তৃতা কাহাকে বলে কিভাবে বক্তব্য রাখতে হয়, তা একটু বলার প্রয়োজন মনে করছি। প্রথমে জানার দরকার আপনি যেই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার জন্য গিয়েছেন তাতে সেই অনুষ্ঠানের বিষয়
একটি প্রশ্ন, একটি উত্তর, আর একটি আগুন : শেখ হাসিনার পতনের নেপথ্য সাংবাদিক” একটি প্রশ্ন কখনো কখনো ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে যখন সেই প্রশ্ন আসে রাষ্ট্রক্ষমতার সবচেয়ে
সাংবাদিকতা পেশার মূল ভিত্তি হলো সত্য ও নিরপেক্ষতা। একজন সাংবাদিকের কাজ হলো তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশ করা, যাতে সমাজ উপকৃত হয়। এজন্য তাকে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে হয়,
ঐতিহ্যবাহী বীর চট্টলার প্রাচীনতম সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান এবং অন্যতম স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জাগৃতির আজীবন সদস্য হিসেবে হাটহাজারী সমিতি সংযুক্ত আরব আমিরাত কেন্দ্রীয় কমিটির নব নির্বাচিত সভাপতি মো : জমির
সাংবাদিকতা যেমন দায়িত্ব, তেমনি এক শ্রেষ্ঠ সাধনা। এই সাধনার পথিক যারা, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষ আছেন—যাঁরা নিজেরা এক প্রতিষ্ঠান, এক বাতিঘর হয়ে ওঠেন। চট্টগ্রামের গর্ব, নির্ভীক ও আপোষহীন সাংবাদিক জাহিদুল
নারীদের জন্য আদর্শ হিসেবে হযরত খাদিজা (রা.)-এর জীবন নিয়ে আয়োজিত হয়েছে এক ইসলামিক সেমিনার। বক্তারা বলেন, “হযরত খাদিজা (রা.) ছিলেন একজন সফল নারী ব্যবসায়ী, স্ত্রী ও সমাজসেবিকা। তাঁর জীবন থেকে